নিজস্ব প্রতিনিধি কলকাতা ১২ই জানুয়ারি
বিমলের উপর আস্থা হারিয়ে বিজেপি শিবিরে যোগদান করল বিমলপন্থীরা। পাহাড়ের মানুষের মূলদাবি আলাদা রাজ্য গোর্খাল্যান্ড এই দাবি নিয়ে আন্দোলন শুরু করছিল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সভাপতি বিমল গুরু। পাহাড়ের মানুষের এই দাবি আদায় করার জন্য একাধিক বার আন্দোলনে উতপ্ত হয়ে ওঠে পাহাড়। সাড়ে তিন বছর আগে বিমল গুরুংএর নেতৃত্বে আন্দোলনে বহু ক্ষয়ক্ষতি ও অনেকে নিহত হলে গা ঢাকা দেয় বিমল গুরু, রোশন গিরি সহ মোর্চার একাধিক নেতৃত্ব। এই দাবি আদায়ের জন্য বিজেপির সাথে গাটছড়া বাধে মোর্চা নেতৃত্ব। প্রায় সাড়ে তিন বছর আত্মগোপন থাকার পর প্রকাশ্যে এসে বিমল গুরুং ঘোষনা করে তারা বিজেপির উপর আস্থা রেখে ভুল করেছে তারা রাজ্য সরকারের সাথে থেকে তাদের দাবি আদায় করবে। সে জন্য তৃতীয়বার ও মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চায় মমতা বন্দোপাধ্যায়কে। সেই মত তরাই, ডুয়ার্স ও পাহাড়ে প্রচার শুরু করে। তবে তার এই ভোল বদল মেনে নিতে পারে নি অনেক নেতৃত্ব। তারা তৃনমূলের সাথে নয় বিজেপির সাথে থেকেই তাদের দাবি আদায় করতে চায়। শিলিগুড়ির কাছে মিলন মোরে বিমল পন্থী মোর্চারা যোগদান করল বিজেপিতে। তাদের হাতে বিজেপির দলীয় পতাকা হাতে তুলে দেন দার্জিলিং এর সাংসদ রাজু বিস্ট, রাজ্য বিজেপির সাধারন সম্পাদক সায়ন্তন বসু। যোগদানের পর বিমল পন্থীরা জানান যে তাদের একমাত্র দাবি আলাদা রাজ্য যা বিজেপির সাথে থেকেই পাওয়া যাবে। মমতা বন্দোপাধ্যায়কে আবার মূখ্যমন্ত্রী দেখতে চায় এতে স্পষ্ঠ তৃনমূলের সাথে নিজের সম্পর্ক তৈরী করেছে বিমল গুরুং তাই আমরা তার সঙ্গ ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলাম। কারন বিমল গুরুং পাহাড়ের মানুষের যে মূলদাবি তা থেকে সরে এসেছে। সায়ন্তন বসু বলেন বিমল গুরুং এর সাথে তৃনমূল কংগ্রেসের যে আতাত তা পাহাড়ের মানুষ মেনে নিতে পারছে না। আজ যা হল তা ট্রেলার বাকি ছবি এখনও দেরি আছে। তবে কিছুদিনের মধ্যে দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং ও মিরিকে বিজেপিতে যোগদান করবে বহু মানুষ।।

No comments:
Post a Comment